দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশের প্রতিটি ঘটনার মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার বিষয় খোঁজার ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
তিনি বলেন, মাগুরা বরাবরই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। কোনো ষড়যন্ত্রই এ জেলার দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারবে না। দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামগ্রিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাগুরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় জেলার সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন মন্ত্রী।
জেলা প্রশাসক মো. মোতাকাব্বীর আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।
সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুমুদ রঞ্জন, অ্যাডভোকেট প্রদ্যুত কুমার সিংহ, পুলিশ সুপার মো. আজাদ হোসেন মোল্লা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহম্মদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আখতার হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল, মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরুন্নাহার।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, মাগুরায় জন্মাষ্টমী, ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী পূজাসহ বিভিন্ন সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়ে আসছে। ধর্মীয় সম্প্রীতির এই পরিবেশ নষ্ট করার কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না।
তিনি বলেন, ‘দেশ সবার। সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করবে।’
নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, অপসংস্কৃতি বর্জন করে জীবনমুখী ও গণমুখী সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটাতে হবে। মানুষের সুস্থ বিনোদন ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির চর্চা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও চর্চাও অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ পরিচয়ের মধ্য দিয়ে দেশের সব মানুষকে এক পরিচয়ের আওতায় আনা হয়েছিল। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অপসংস্কৃতির শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। দেশে কোনো ধরনের অসাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হবে না। সবাইকে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একসঙ্গে বসবাসের আহ্বান জানান তিনি।
যে আই